ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী একাধিক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ফলে শত শত যাত্রী বিমানবন্দরে আটকা পড়েন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিমানবন্দরটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য জানান।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ এয়ারফিল্ড ও ফ্লাইট ইনফরমেশন রিজিয়ন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স তাদের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।
চট্টগ্রামে বাতিল হওয়া বহির্গমন ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছিল- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ১৪৭ ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই। একই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ১৫১ ঢাকা-চট্টগ্রাম-শারজাহ শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস ৩৩৩ ঢাকা-চট্টগ্রাম-দোহা সন্ধ্যা ৫টা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম ছাড়ার কথা থাকলেও সেটিও বাতিল করা হয়েছে।
আগমনী ফ্লাইটগুলোর মধ্যেও একাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার আরাবিয়ার ফ্লাইট জি৯ ৫২০ শারজাহ-চট্টগ্রাম। ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস ৩৪৪ দুবাই- চট্টগ্রাম। সালাম এয়ারের ফ্লাইট অভি ৪০৩ মাস্কাট-চট্টগ্রাম। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে এসব ফ্লাইট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী যাত্রা করতে পারেনি।
ব্যতিক্রম হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ১২২ মাস্কাট-চট্টগ্রাম-ঢাকা ওমানের মাস্কাট থেকে বিকাল ৫টায় চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে বলে জানায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, “আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হলেও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু রাখতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং নতুন নির্দেশনা পাওয়া গেলে পরবর্তী আপডেট জানানো হবে।”
তিনি বলেন, “যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বা বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়া জরুরি।”