যশোর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হারুন অর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে শহরের দড়াটানা জামে মসজিদ লেনের প্রিন্স আবাসিক হোটেলের ৩০৩ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
রশিদ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়া এলাকার বাবুর্চি বাড়ির সামাদ বাবুর্চির ছেলে।
হোটেলের ওয়ার্ড বয় আব্দুল আওয়াল জানান, গত মঙ্গলবার ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ হোটেলের ৩০৩ নম্বর রুমে ওঠেন। বুধবার সন্ধ্যাতেও তিনি রুমে ছিলেন। বৃহস্পতিবার চেক আউটের সময় দরজায় ধাক্কা দেওয়া হয়। অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পরও দরজা না খুললে পাশের পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
যশোর পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা খোলার চেষ্টা করি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি, বিছানার ওপর ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ পড়ে আছেন। এ সময় তার পাশে থাকা মোবাইলটি ‘ফ্লাইট মুডে’ রাখা ছিল। আত্মীয়-স্বজন কেউ তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। মোবাইলের ফ্লাইট মুড বন্ধ করার পরপরই একটি কল আসে। কলটি রিসিভ করলে কলারের নাম আসাদুজ্জামান জানান। আসাদুজ্জামান জানান, তিনি তার জামাতা। তাকে শ্বশুরের মৃত্যুর সংবাদ দেওয়া হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ থেকে রওয়ানা দেন।
তিনি আরো বলেন, জামাতা আসাদুজ্জামানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হারুন অর রশিদ প্লাস্টিক ও কাচের মালামালের ব্যবসায়ী। ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ‘শামীম প্লাস্টিক হাউজ’ নামে তার একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, “বিষয়টি নিয়ে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছে। ওই ব্যক্তির শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।”