সারা বাংলা

নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, “নদী ও খাল যারা দখল করেছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। আপনি যে-ই হোন; সরকারের চেয়ে, ১৮ কোটি জনগণের চেয়ে প্রভাবশালী কেউ নন।”

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার শাসনপাড়া-দোশারীচোঁ থেকে ডাকাতিয়া নদীর শাখা খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, “যারা দখল করেছেন, তারা জোচ্চোর, দুষ্কৃতকারী। যারা দখল করেছেন, ছেড়ে দিন। আপনাদের ছেড়ে দিতেই হবে।”

এর আগে দোশারীচোঁ মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে অনেকে অনেক কথা বলে, পরে বাস্তবায়ন করে না। কিন্তু, বিএনপি প্রমাণ করেছে, আমরা কথা ও কাজে এক। নির্বাচনের কালির দাগ মোছার আগেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পহেলা বৈশাখ বা তারও আগে কৃষি কার্ড চালু করা হবে। দলের চেয়ারপারসন বলেছিলেন, আপনারা বিএনপিকে নির্বাচিত করলে আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করব। আমরা আজ শুরু করেছি। কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এরইমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানি দেওয়া শুরু হয়েছে। এক মাসের মধ্যেই সরকার সব কাজ বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এতেই প্রমাণিত হয়, বিএনপি কথায় ও কাজে এক। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”

আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “দেশের ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ৭০ ভাগ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হলে অন্য ৩০ জনের অবস্থা অটোমেটিক ভালো হয়ে যাবে।” 

তিনি আরো বলেন, “ডাকাতিয়া নদীর ওপর ডাকাতি হয়ে গেছে। নদী ভরাট করে বাড়ি-ঘর করা হয়েছে। এই ডাকাতিয়া নদী উদ্ধার করা হবে।”  

কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন— কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট ও লালমাই) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, বিএডিসির চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম, কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাশেদুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএডিসির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার।