জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত তারকা অভিনেতা শামস সুমনকে সমাহিত করা হবে রাজশাহীতে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে জানাজা শেষে তাকে নগরীর হেঁতেমখা কবরস্থানে দাফন করা হবে।
শামস সুমনের ছোট ভাই রাশেদ রিপন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “ভাবিরা লন্ডন থেকে রওনা দিয়েছেন। রাতে দেশে পৌঁছাবেন। এরপর ভাইয়ের মরদেহ রাজশাহীতে নিয়ে আসা হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর ঝাউতলা জামে মসজিদে তারা জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে হেঁতেমখা কবরস্থানে দাফন করা হবে।”
শামস সুমনের জন্ম ও বেড়ে উঠা রাজশাহীতে। তিনি ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনি এসএসসি পাস করে ভর্তি হন রাজশাহী কলেজে। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মার্কেটিং বিভাগে। রাবি থেকে করেন স্নাতকোত্তর।
স্কুলজীবনে রাজশাহী বেতারে অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু শামস সুমনের যাত্রা। পরে রেডিও নাটক, উপস্থাপনাও করেন তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন এই অভিনেতা।
দীর্ঘদিন ধরেই তাকে পর্দায় দেখা যায়নি। তিনি একটি রেডিও স্টেশন প্রধান ও চ্যানেলের অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক ছিলেন।
‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কঙবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬), ‘চোখের দেখা’ (২০১৬), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২) সহ কিছু সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন শামস সুমন। ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।