সারা বাংলা

ঈদের নামাজ পড়েই সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ, আহত ১১

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০-১২টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও কামরুল মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ইসমাইল মুন্সির ছেলে ফুয়াদ হোসেনের সঙ্গে কামরুল মিয়ার কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। সেই ঘটনার জেরে ওই রাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল। একদিনের বিরতি দিয়ে শনিবার ঈদের নামাজ শেষে আবার সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উভয় পক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে গ্রামের বেশ কিছু বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় এবং মালামাল লুট করা হয়।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. পলাশ সাহা বলেন, “সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ১১ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এর মধ্যে, ওহিদুর রহমান নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

ভাঙ্গা থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, বিকেল পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”