ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি আজ শেষ হলেও সিলেটে পর্যটকদের আগমন থামেনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখনো পরিবার-পরিজন নিয়ে সিলেটে আসছেন প্রকৃতির টানে।
স্থানীয় পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, সিলেটে পর্যটকের চাপ আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে ঠাঁই নেই, স্পটগুলোতে পর্যটকের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সরেজমিন জাফলং, সাদাপাথর, লালাখাল, বিছনাকান্দি ও জেলার বিভিন্ন চা-বাগান ঘুরে ভ্রমণপিপাসুদের ভিড় দেখা যায়।
পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতিতে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নৌকার মাঝি, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী, ট্যুর গাইড ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ঢাকা থেকে জাফলং ঘুরতে আসা পর্যটক সোহেল রানা বলেন, “ব্যস্ত নগরজীবন থেকে স্বস্তি পেতে প্রকৃতির কাছে এসেছি। প্রকৃতির সৌন্দর্য সত্যিই মন ভরে দেয়।”
চট্টগ্রাম থেকে বিছনাকান্দি আসা পর্যটক মিজানুর রহমান বলেন, “পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে পারে না। পরিবেশটা খুবই শান্ত ও সুন্দর।”
স্থানীয় একটি গেস্ট হাউসের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম বলেন, “ঈদ উপলক্ষে কয়েকদিন ধরেই পর্যটকের চাপ রয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে উঠতে পারব।”
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশ বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে। নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ভাড়া নির্ধারণে তদারকি করা হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবকেরাও ভিড় নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উৎপল কুমার চৌধুরী জানান, “পর্যটন স্পটগুলোতে সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কঠোর নজরদারি থাকবে।”