সারা বাংলা

মুন্সীগঞ্জে চাহিদামত জ্বালানি তেল মিলছে না

মুন্সীগঞ্জের ফিলিং স্টেশনে চাহিদামত জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও ডিজেল আছে কিন্তু অকটেন নেই। কোথাও কোনোটিই নেই। তবে কোনো কোনো ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ও অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। 

সদর উপজেলায় পূর্ণিমা ফিলিং স্টেশনে ডিজেল আছে কিন্তু অকটেন বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকালে সদরের মুক্তারপুরে অবস্থিত পূর্ণিমা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় ‘অকটেন নাই’ সাইনবোর্ড সাঁটানো হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা স্টেশনে অবস্থান করে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য গাড়ি ফিলিং স্টেশনে এসে অকটেন না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। 

কয়েকজন চালক হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘অকটেন না থাকলে কি আর করার আছে।’’ 

ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক পীযুস সাহা বলেন, ‘‘দৈনিক চাহিদা ৪৫০০ লিটার কিন্তু আমাদের দেওয়া হয় ১৫০০ লিটার। গত রাতে অকটেন শেষ হয়ে গিয়েছে। আগামীকাল (বুধবার) আবার অকটেন পাওয়া যাবে।’’ 

গজারিয়া উপজেলার মুন ফিলিং স্টেশন ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে। সেখানে গত প্রায় এক মাস ধরে চাহিদামত অকটেন ও ডিজেল সরবরাহ নেই বলে জানান ফিলিং স্টেশনের স্টাফ আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার ডিজেল অকটেন বিক্রি হয়। আজ অকটেন নেই। গত এক মাস ধরে চাহিদামত দিতে পারছি না।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে অবস্থিত শ্রীনগর ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক রাশিদুল ইসলাম আকাশ জানান, ফিলিং স্টেশনে ডিজেল ও অকটেন শেষ হয়েছিল ঈদের আগের দিন। আজ বুধবার (২৪ মার্চ) দুপুরে জ্বালানি তেল পাওয়া গেছে। তবে মাত্র ৪৫০০ লিটার অকটেন পেয়েছি। এটা আজ রাতের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। চাহিদার তুলনায় এটা অনেক কম। জ্বালানি নিতে ইতোমধ্যে অনেক যানবাহন ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছে। 

আশপাশের ফিলিং স্টেশনগুলোর একই অবস্থা বলে জানান তিনি।