সারা বাংলা

বোমা বিস্ফোরণে আহত মাদ্রাসাছাত্রের বাড়িতে পুলিশের বোমা বিশেষজ্ঞ দল

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বোমা তৈরীর সময় বিস্ফোরণে আহত মাদ্রাসাছাত্র মো. মতিউর রহমান মোল্লার (২৫) বাড়ি পরিদর্শন করেছে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের বোমা বিশেষজ্ঞ দল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল টিমের সদস্যরা টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের নিলফা বাজার এলাকায় ওই মাদ্রাসাছাত্রের বাড়িতে পৌঁছান। দুপুর ২টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করে বিস্ফোরিত বোমার আলামত জব্দ করেন। একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করেন তারা।

টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আইয়ুব আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, “টুঙ্গিপাড়ার নিলফা গ্রামের মোস্তাক আহম্মেদের ছেলে মো. মতিউর রহমান মোল্লা দেড় মাস আগে প্রথম বিস্ফোরক বস্তু তৈরি করে। সেটি সে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ী মাদ্রাসার পাশে বিস্ফোরণ করার পর গত ২২ মার্চ এ ধরনের আরো একটি বিস্ফোরক দ্রব্য গ্রামের বাড়ির পাশে বিস্ফোরণ ঘটায়। গতকাল ২৩ মার্চ বাড়িতে বসে বোমা সদৃশ্য বস্তু তৈরি করে মতিউর। এর মধ্যে একটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তার হাত-পা, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। অপরটি অবিস্ফোরিত ছিল।”

ওসি আরো বলেন, “আহত মাদ্রাসাছাত্রকে পুলিশি পাহারায় গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে খুলনা থেকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

মতিউর রহমান মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসার ছাত্র। ঈদের ছুটিতে সে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল। সোমবার রাতে হঠাৎ বাড়িতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে মতিউরের মুখমণ্ডল, ডান হাত ও আঙুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে।