দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে ফেরি থেকে পদ্মায় পড়ে ডুবে যাওয়া বাসটি তুলে আনা হচ্ছে। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এরই মধ্যে বাসটির সামনের অংশ টেনে পানির ওপর তুলেছে, যার মধ্যে হাতে থাকা ব্যাগ, স্কুল ব্যাগ ও জুতা দেখা যাচ্ছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মায় পড়ে যাওয়ার পর রাতে উদ্ধার অভিযানে আসে ‘হামজা’। ঝড়-বৃষ্টির বাধা কাটিয়ে কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় বাসটির সামনের অংশ পানির ওপর টেনে তোলার দৃশ্য দেখা যায়।
ফায়ার সার্ভিসের ফরিদপুর স্টেশনের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন জানান, বাসটি ৭০ থেকে ৮০ ফুট পানির গভীরে নদীর সঙ্গে গিয়ে বেঁধে যায়।
তিনি বলেন, বৃষ্টি, বজ্রপাত ও নদীর ঢেউয়ের কারণে উদ্ধারকাজ কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল; তবে দ্রুত উদ্ধার করা যাবে সেটি।
বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে বাসটির সামনে অংশ টেনে পানির ওপর তুলতে দেখা যায়। চালকের আসনের অংশটি দেখা যাচ্ছিল। বাকিটুকু পানির নিচে ছিল।
ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন বলেছে, উপরে উঠে আসা বাসের অংশে যাত্রীদের হাতে থাকা ব্যাগ, স্কুল ব্যাগ, জুতাসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দেখা গেছে।
পদ্মা নদীতে বাস পড়ে যাওয়ার এই ট্রাজিক ঘটনাটি সারা দেশের মানুষের মন নাড়িয়ে দিয়েছে। পুরো দেশ তাকিয়ে আছে বাসটির দিকে। কতজনেরই না মরদেহ রয়েছে বাসটির মধ্যে। কেউ হয়তো পদ্মার স্রোতের তোড়ে নিখোঁজ হয়েছেন। ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে এই উদ্ধার অভিযানের দিকে তাকিয়ে আছে সবাই।
এরই মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।