সিলেট বিভাগে ‘অযৌক্তিক’ জরিমানা ও বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগে সব ধরনের পেট্রোল পাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ এই ধর্মঘটের ডাক দেন।
তারা জানান, পাম্পগুলোতে ট্যাগ অফিসার বসানো, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঘন ঘন হিসাব নেওয়া, পুলিশ নিয়োগ এবং ছয়টি পাম্পে বড় অংকের জরিমানা আদায়ের প্রতিবাদে তারা তেল বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পাম্প মালিকদের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিলেট বিভাগের সিএনজি ও এলপিজিসহ কোনো পাম্পই তাদের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও জরিমানাকে তারা ‘হয়রানি’ হিসেবে দেখছেন।
জরিমানার শিকার হওয়া পাম্প মালিক নুরুল আলতাফ জানান, তার পরিচালিত দুটি পাম্পের একটিতে হিসাব না রাখার দায়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অন্য পাম্পে এক পাম্পের তেল অন্য পাম্পে নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা করা হয়।
এছাড়া, মেঘনা ডিপোর তেলের চালান বাইরে বিক্রি হয়েছে—এমন সন্দেহেও জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
পরিস্থিতি নিরসনে সন্ধ্যা থেকে কয়েকজন পাম্প মালিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। পরে রাতেই বৈঠক করে পেট্রোল পাম্প মালিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য পাম্প বন্ধের এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারের প্রতিনিধিরা চাইলে পাম্প পরিচালনা করতে পারেন এতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।