পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যার চার দিন পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে নিহতের বাবা এনামুল প্রামাণিক বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার জানান, মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাঁড়া গোপালপুর স্কুলপাড়া এলাকায় সোহাগ তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মুখোশধারী একদল সন্ত্রাসী তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে সোহাগকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্স ঈশ্বরদী উপজেলা সদস্য সচিব ছিলেন। তিনি উপজেলার বাঘইল মন্নবীপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর পক্ষে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজ করেছেন।
এ নিয়ে প্রতিপক্ষ পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব গ্রুপের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। গত ২৩ মার্চ দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।