গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাড়ির সীমানা প্রাচরী নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাতজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার নিজামকান্দি ইউনিয়নের ফলসি গ্রামে ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খোরশেদ আলম।
আহদের মধ্যে ফলসি গ্রামের ইসমাইল ফকিরের ছেলে মাসুদ ফকির (৬০), তার ছেলে আমিন ফকির (৩০), মাসুদ ফকিরের স্ত্রী নজু বেগম (৫০) ও রহমান ফকিরের স্ত্রী কামিনী বেগমকে (৩৫) গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই রহমান ফকিরের পক্ষের লোক। ওসমান ফকিরের পক্ষের আহত তিনজন কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক খোরশেদ আলম জানান, ফলসি গ্রামের ওসমান ফকির ও রহমান ফকিরের মধ্যে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আজ শুক্রবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জেরে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত সাতজনকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।
তিনি আরো জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে|
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বিচিত্র কুমার বিশ্বাস বলেন, “আহতদের মধ্যে মাসুদ ফকিরের অবস্থা আশংকজনক।”