পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ডিপো থেকে সরবরাহ না পাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের সব পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
পরিবহন চালকরা জানান, এর আগে সীমিত আকারে ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি সরবরাহ করা হলেও আজ পুরো জেলাজুড়ে বন্ধ হয়ে গেছে পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা পাম্পে গিয়ে তেল না পেয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন।
মন্দির পাড়ার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান আশিক দাবি করেন, “প্রশাসনের কোনো পরিকল্পনা না থাকায় এমন হয়েছে। সরকারি ছুটি হুট করে আসেনি। এটা নিযে পূর্ব পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। যেহেতু, একদিন ডিপো বন্ধ থাকবে এক্ষেত্রে আগে থেকে কিছু পাম্পে জ্বালানি মজুত রেখে আজ বিক্রি করলে এমন সংকট হতো না।”
রুপশী ফিলিং স্টেশনের পরিচালক আব্দুল হক বলেন, “পয়লা বৈশাখে সরকারি ছুটি থাকে। এ কারণে ডিপো বন্ধ থাকে। তাই গতকাল আমরা জ্বালানি নিতে পারিনি। ফলে আজকে আমাদের পাম্পে পেট্রোল ও অকটেন নেই। যে কারণে পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে।”
সুপ্রিয় ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী বাবলু বলেন, “বর্তমান সময়ে জ্বালানি সরবরাহ অনেক কম থাকে। সেই তুলনায় চাহিদা বেশি। প্রতিদিন দুপুর ১টার মধ্যে পাম্প গুলোতে মজুত শেষ হয়ে যায়। তাই পরেরদিন জ্বালানি বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সরকারি ছুটিতে ডিপো বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার কোনো ফিলিং স্টেশনের জ্বালানি সরবরাহ হয়নি। তাই আজ পাম্পগুলো পেট্রোল-অকটেন বিক্রি করতে পারছে না।”
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাঈম আশরাফ জানান, মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে তেলের ডিপো বন্ধ ছিল। এ কারণে আজ বুধবার জেলায় জ্বালানি সরবরাহ সম্ভব হয়নি।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, “বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ডিপো থেকে তেল সরবরাহ শুরু হলে ফিলিং স্টেশনগুলো পর্যায়ক্রমে আবারো ভোক্তাদের তেল দিতে পারবে।”