চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত ববিতা খাতুন (২৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত সোয়া ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ। এর আগে, গত শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
ববিতা একই গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী এবং তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। সন্তানদের নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে ববিতা নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ তার ডাক-চিৎকারে পরিবারের সদস্যদের ঘুম ভাঙে। ঘরে গিয়ে ববিতাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তারা। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, ববিতার তিনটা বিয়ে হয়েছে। তবে, কারো সঙ্গেই তার সম্পর্ক ছিল না।
ওসি সোলায়মান সেখ বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।