জামালপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন দুইজন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে জেলা সদর ও মেলান্দহ উপজেলায় তারা মারা যান।
বজ্রপাতে মারা যাওয়ারা হলেন- সদর উপজলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর এলাকার হাসমত আলী ও মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ি পৌরসভার কড়ইচড়া গ্রামের রাজীবের স্ত্রী মর্জিনা। তার তিন বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
আহতরা হলেন- মর্জিনা বেগমের প্রতিবেশী শেফালী এবং হাসমত আলীর চাচাতো ভাই আনোয়ার।
মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওবায়দুর রহমান জানান- বিকেলে বাড়ির উঠানে রান্নাঘরে কাজ করছিলেন মর্জিনা। বজ্রপাত হলে গুরুতর আহত হন তিনি। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। একই সময়ে বৃষ্টির মধ্যে রাস্তা থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হন মর্জিনার পাশের বাড়ির বাসিন্দা হারুনের স্ত্রী শেফালী। তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষীরচর ইউনিয়নের চরযথার্থপুর ভাটিপাড়া এলাকায় বজ্রপাতে হাসমত আলী নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হন তার চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিজেদের জমিতে কাজ করছিলেন হাসমত ও আনোয়ার। বৃষ্টি শুরু হলে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসমত। আহত আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি গরুও মারা গেছে।
জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহান বলেন, “বজ্রপাতে হাসমত আলীর মৃত্যু হয়েছে এবং আরও দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”
অপরদিকে, রবিবার বিকেলে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নে বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে প্রচন্ড বাতাস ও বজ্রপাত হয়। এ সময় নদীর ধারে একটি ক্ষেতে বিচরণ করা শাহীন ভান্ডারি নামে এক ব্যক্তির চারটি গরু মারা যায়।
গরুর মালিক শাহীন ভান্ডারি বলেন, “আমার পাঁচটি গরু ছিল। বজ্রপাতে চারটি গরু মারা গেল। গরুগুলো কোরবানি ঈদে বিক্রির কথা ছিলো। আমার অপূরণীয় ক্ষতি হলো।”