দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ তৈরি অব্যাহত রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি এবং ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত জেলার কলাপাড়ায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস।
এদিকে, বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপ তারম্যের আধিক্যের প্রভাবে নদ-নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। থেমে থেমে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো বাতাস বইছে। কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ বিক্ষুব্ধ রয়েছে। সমুদ্র তীরে আছড়ে পড়ছে ছোট বড় ঢেউ।
জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীসহ দেশের ১৬ জেলার ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে দুপুর ১টা পর্যন্ত নদী বন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং পটুয়াখালীর পায়রা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস। সব মাছধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী বলেন, “বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। পাশাপাশি ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকানো এবং বজ্রপাত হতে পারে। বাতাসের চাপও বাড়তে পারে।”