সারা বাংলা

ধামরাইয়ে মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ববিরোধে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ঢাকার ধামরাইয়ে মাদক ব্যবসা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে ফিরোজ কবির (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, মাদক ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তর্কের জেরে ওই ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। 

শনিবার (৯ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গাংগুটিয়া ইউনিয়নের অর্জুন নালাই এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরিবারের দাবি, অর্জুন নালাই এলাকার জয়নাল আবেদিনের ছেলে জহিরুল ইসলাম এবং একই এলাকার শাহজাহানের ছেলে শাহীন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।  

নিহত ফিরোজ কবির ধামরাইয়ের অর্জুন নালাই এলাকার আলহাজ্জ্ব উদ্দিনের ছেলে। নিহতের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি চেষ্টাসহ প্রায় ডজনখানেক মামলা রয়েছে। তিনি সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পান বলে জানায় ধামরাই থানা পুলিশ। 

পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসার অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ছিল। সম্প্রতি ফিরোজ কবির মাদক মামলায় কারাগার থেকে মুক্তি পান। শনিবার সন্ধ্যার দিকে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হলে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে তাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে ওই দুই ব্যক্তি। পরে তারা পালিয়ে যায়। এ সময় আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীকে প্রথমে কাওয়ালীপাড়া একটি হাসপাতালে ও পরে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পথিমধ্যে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছেলে অভিযোগ করে বলেন, ‘‘শাহীনরা এলাকায় হেরোইন খায়, বিক্রি করে। আজকে জহিরুল পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করেছিল মাদকের টাকার জন্য। তার কাছে ছ্যান ছিল। আমার আব্বু সাটুরিয়া থেকে কেনাকাটা করে ফিরছিল। ওদের বাড়ি পার হওয়ার আগেই জহিরুল ছ্যান ও শাহীন চাপাতি নিয়ে এসে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। ওদের সাথে আব্বুর আগের কোনো ঝগড়া বা কথা-কাটাকাটি ছিল না।’’

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, মাদক ব্যবসা নিয়ে তাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ ছিল। বিগত ৪-৫ দিন আগেই ওই ব্যক্তি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফিরে আসে। আজ তাদের দেখা হলে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে তাকে ছুরিকাঘাত করে। ইতোমধ্যে আসামি ধরার জন্য পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে।