পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা যাতে শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে নিজেদের তুলে ধরতে পারে এজন্য নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। স্কুলে যাতে নিয়মিত সংগীত ও ক্রীড়াচর্চা হয় এজন্য প্রতিটি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
রবিবার (১০ মে) রাঙামাটির মারি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণকালে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘‘পার্বত্য অঞ্চল থেকে আরো ঋতুপর্ণা তৈরি করতে পার্বত্য মন্ত্রণালয় ক্রীড়া ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য ক্রীড়া ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রতিটি স্কুলে যাতে নিয়মিত সংগীত ও ক্রীড়াচর্চা হয় এজন্য প্রতিটি স্কুলে সংগীত ও ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চায় এগিয়ে নেওয়া হবে।’’
দীপেন দেওয়ান আরো বলেন, ‘‘পার্বত্য রাঙামাটি হচ্ছে খেলোয়াড় তৈরির কারখানা। এই রাঙামাটি থেকে ইতোমধ্যে অসংখ্য খেলোয়াড় উঠে এসেছে। আমার চাচাও একজন ক্রীড়াবিদ ছিল। তিনি পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। এছাড়াও রাঙামাটি থেকে অসংখ্য ক্রীড়াবিদ দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। আমাদের এই হারানো গৌরব ফিরিয়ে এনেছে রূপনা চাকমা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও মনিকা, আনাই মগিনীরা।’’
তিনি স্কুলের শিক্ষকদের শিক্ষার পাশাপাশি খেলোয়াড় তৈরি করতে সচেষ্ট ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সাবেক উপমন্ত্রী মনি স্বপন দেওয়ান, রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন পিপিএম, মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল মনীষ দেওয়ান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বালিকা দলের ফাইনাল ম্যাচে জগন্নাথছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাঘাইছড়ি পাকুজ্যাছড়ি আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বালক দলে রাজস্থলীর তাইতং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৫-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।