মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলছেন, “কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশে যেন চোরাইপথে গরু না আসে, সেজন্য সর্বোচ্চ প্রস্তুত আছে বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পশুর হাটে অনিয়ম প্রতিরোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।”
শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর গাবতলীতে কোরবানির পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোরবানির পশুর হাটে জাল টাকা রোধের জন্য মেশিন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত আছে। এবার হাটে পশুর বিক্রেতাদের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ক্রেতারা যাতে এই হাটে নির্বিঘ্নে পশু ক্রয় করতে পারেন, সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হাটে আসা কোরবানির পশুগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিকেল সাপোর্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিক্রেতারা গরু বিক্রির পর যাতে নিরাপদে নিজ নিজ এলাকায় ফিরতে পারেন, সেজন্য হাটে নিরাপত্তা জোরদার রাখা হয়েছে।”
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এবার ১ কোটি ১ লাখ গবাদি পশুর চাহিদা বিপরীতে বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ১ কোটি ২৩ লাখ গবাদিপশু আছে কোরবানির জন্য। সেক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আনার কোনো প্রয়োজন নেই।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।