কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠতে শুরু করেছে কুষ্টিয়ার মসলার বাজার। মাংস রান্নার অপরিহার্য উপাদান হিসেবে জিরা, এলাচ, দারুচিনি, গোলমরিচ, হলুদসহ বিভিন্ন মসলা কেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা। তাদের দাবি প্রতিটি জিনিসের দামেই বেড়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, কিছু মসলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও অনেক পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে প্রতি কেজি কাজুবাদাম ১৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এই বাদামের দাম এক মাস আগে ছিল ১১৫০ টাকা। ৬০০ টাকা কেজি কিসমিস এক মাসের ব্যবধানে ৩০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে এখন ৯০০ টাকায়। এছাড়া, ৩২০০ টাকার পেস্তা ৮০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০০ টাকা দরে। জিরা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা করে।
বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে এলাচ পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একমাস আগে এই পণ্যটির দাম ছিল ৪৭০০ টাকা। ১৫০ টাকা দাম বেড়ে দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে। ১২০০ টাকার গোলমরিচ দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২৫০ টাকা কেজি দরে। ২০ টাকা দাম বেড়ে ধনে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়।
মসলা বিক্রেতা আবুল প্রামাণিক জানান, “ঈদুল আজহার সময় মসলার বিক্রি স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। কাজুবাদাম, কিসমিস, পেস্তা, চিনাবাদাম ও জিরার চাহিদা সবচেয়ে বেশি।”
হলুদ বিক্রেতা শরীফ বলেন, “হলুদ ২৪০-২৫০ টাকা, মরিচের গুড়া ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে জিরার দামও বেড়েছে। সিন্ডিকেটের কারণে আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে।”
বাজারে মসলা কিনতে আসা বাবলু রহমান বলেন, “কোরবানি ঈদের সময় মসলার চাহিদা থাকে বেশি, এ কারণে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা।”
অপর ক্রেতা রোকসানা পারভীন আক্ষেপ করে বলেন, “বাজারে প্রতিটি জিনিসের দাম বেশি। ঈদ উপলক্ষে সবকিছুর দাম বেড়েছে।”