ক্যাম্পাস

প্রকাশ হচ্ছে শাহমুব জুয়েলের ‘মাদক বিরোধী’ উপন্যাস 

যুবসমাজ জাতির অলঙ্কার। তাদের মধ্যে আস্বাদনশক্তি প্রবল। এই সুযোগ নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে মাদক তুলে দেওয়া হচ্ছে। সার্কেল অনুযায়ী ড্রাগ চালান হচ্ছে হট স্পটে। তরুণ ও মেধাবীরা গ্রহণ করছেন মাদক। ধীরে ধীরে তাদের মানসিক শক্তি বিনষ্ট হচ্ছে। 

পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে মাফিয়াচক্রের মাধ্যমে মাদকের চালান সহজেই ডুকে পড়ছে। দেশের তৃণমূলে নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সবার মাঝে অনায়েসে যাচ্ছে। তত্ত্বাবধানের দুর্বলতা ও আর্থিক সুবিধা গ্রহণের কারণে সহজেই ড্রাগ পৌঁছে যাচ্ছে ডোর টু ডোর। এটি জাতি ও সমাজের জন্য ভয়াবহ ও বিপদজনক।

মানুষের বাস্তব জীবন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখক শাহমুব জুয়েল নিয়ে আসছেন তার পরবর্তী উপন্যাস ‘মেঘ বিদায়ের দিন’। এবারের একুশে বইমেলা-২০২২ এ প্রকাশিত হবে বইটি। প্রকাশ করছেন তাম্রলিপি প্রকাশনী। আইয়ুব আল আমিনের প্রচ্ছদে বইয়ের শুভেচ্ছা মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫০০ টাকা। 

লেখক শাহমুব জুয়েল বলেন, মাদক জাতি ও সমাজের জন্য ভয়াবহ এবং বিপদজনক। এ নিয়েই মূলত উপন্যাসের প্লট সাজানোর চেষ্টা করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, মেঘ বিদায়ের দিন উপন্যাসের অনুষঙ্গ ড্রাগ। চরিত্র বিন্যাসে ও সংলাপে দেখানো হয়েছে মাদকসেবীর অধিকাংশই তরুণ শ্রেণি। যারা সমাজে প্রভাব বিস্তারকারী ও উচ্চ চিন্তার অধিকারী। তাদের বিপথ মানে দেশের দীর্ঘ মেয়াদী বিপদ। সামজিক দায়বদ্ধতা, তত্ত্বাবধানিক দুর্বলতা, এলিট শ্রেণির উন্নাসিকতা, গ্রাম ও শহরে স্বার্থবাদীদের দৌরাত্ম্য, হুমকির মুখে গোটা সমাজ ও রাষ্ট্র। এসবের রুট ও জোন আবিষ্কার করে আসক্তদের বিরত রাখতে কাউন্সিলিংসহ সচেতনতা জরুরি। প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি।  

উল্লেখ্য, লেখকের আগে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, গিরীকন্যা সবুজডানা, সমুদ্রগামিনী উপন্যাস। এ ছাড়াও, লিখেছেন প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘কথাসাহিত্যে রাজনৈতিক দর্শন ও বিবিধ প্রবন্ধ’। তার সম্পাদিত লিটলম্যাগ বর্ণিল কবিতা গ্রন্থ; কাঁচা রোদের সন্ধানে (২০১৭), মুখোমুখি আহ্লাদি চিবুক (২০১৭), জলসিঁড়ি পেরিয়ে বালির সন্যাসে (২০১৯), গল্পগ্রন্থ; অথৈ সময়ের শ্বাস (২০১৮)।