ক্যাম্পাস

পোষ্য কোটা নিয়ে যা জানাল চবি প্রশাসন

পোষ্য কোটা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) প্রশাসন। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি শিক্ষাবর্ষের (২০২৪-২৫) ভর্তি পরীক্ষায় প্রতিটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে পোষ্য কোটায় একটি করে আসন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একই সঙ্গে আগামী বছর পোষ্য কোটা বাতিল ও ভর্তি পরীক্ষার ফি কমানোর বিষয়ে পর্যালোচনা করতে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) আয়োজিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন খান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৫৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউট রয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর এসব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে একজন করে মোট ৫৪ জন শিক্ষার্থী পোষ্য কোটায় ভর্তির সুযোগ পাবেন। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পোষ্য কোটার আসন ছিল ১৬৬টি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান রাইজিংবিডিকে বলেন, “শুধু এই বছরের জন্য প্রতি বিভাগে একটি করে পোষ্য কোটা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৫৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে একজন করে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।”

তিনি বলেন, “পোষ্য কোটা বাতিল ও ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি কমানো বিষয়ে পর্যালোচনা করতে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছি। সেই কমিটি আগামী বছরের ভর্তি পরীক্ষাকে সামনে রেখে কাজ করবে।”

সাত সদস্যের কমিটিতে উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খানকে সভাপতি করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এসএম নছরুল কদির, প্রীতিলতা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাসমত আলী, অধ্যাপক ড. এন এম সাজ্জাদুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ।

পোষ্য কোটা বাতিল ও ভর্তি পরীক্ষার ফি কমানোসহ সাত দফা দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, পোষ্য কোটা বহালের দাবিতে শক্ত অবস্থানে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ।