রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে প্রথমবারের মতো ‘সাংবাদিক আহমেদুর রহমান-হাবিবুর রহমান মিলন শিক্ষাবৃত্তি’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বিভাগের এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত বৃত্তির বাইরে এটিই বিভাগের প্রথম নিজস্ব শিক্ষাবৃত্তি।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদউদ্দিন খান।
তিনি বলেন, “প্রথিতযশা সাংবাদিকদের নামে এই বৃত্তি শিক্ষার্থীদের পেশাগত দায়বদ্ধতা শিখতে অনুপ্রাণিত করবে।”
অনুষ্ঠানে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলনের কন্যা লেখিকা অদিতি রহমান।
বিভাগীয় সূত্রমতে, প্রায় আট বছর আগে দুই সাংবাদিকের পরিবারের দেওয়া পাঁচ লাখ টাকার স্থায়ী আমানতের মুনাফা থেকে এই বৃত্তি দেওয়া হবে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি বছর দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের সর্বোচ্চ সিজিপিএধারী তিন শিক্ষার্থী মাসিক ভিত্তিতে এই বৃত্তি পাবেন। এ বছর বৃত্তি পেয়েছেন সাদিয়া আক্তার ও মাধবী রাণী রায়।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মশিহুর রহমান ও অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে।
বক্তারা সাংবাদিকতাকে কেবল পেশা নয়, বরং একটি সামাজিক অঙ্গীকার হিসেবে গণ্য করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক আহমেদুর রহমান ও হাবিবুর রহমান মিলন ছিলেন সহোদর এবং দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথিতযশা সাংবাদিক। আহমেদুর রহমান ১৯৬৫ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মিলন ২০১৫ সালে মারা যান।