ক্যাম্পাস

গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগ ব্যাচ-২৬১ কে (স্প্রিং-২০২৬) নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বরণ করে নেয়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বাচল আমেরিকান সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগীয় প্রধান ড. হাবীব মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শহীদুল্লাহ। ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি বাংলাদেশ এর যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. অলিউর রহমান।

বক্তব্য রাখেন  উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, “সাংবাদিকতা একটি শক্তিশালী পেশা, যা ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুভাবেই সমাজে প্রভাব ফেলতে পারে। দেশ ও মানুষের কল্যাণে এই পেশার যথাযথ ব্যবহারেই সাংবাদিকতার প্রকৃত সার্থকতা নিহিত।”

তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে নিজস্ব সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে এবং আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুগোপযোগী কারিকুলামের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা করতে হবে। নবীনদের এই যাত্রা শুধু ডিগ্রি অর্জনের জন্য নয়, বরং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার প্রস্তুতি।”

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শহীদুল্লাহ বলেন, “মানুষ যখন নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়, তখনই তার জীবনের প্রকৃত সূচনা ঘটে।”

কমফোর্ট জোনে আবদ্ধ থাকলে সফলতা অর্জন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইউএনডিপি বাংলাদেশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনশেষে আমাদের সব কাজ দেশের ও মানুষের কল্যাণের জন্য হওয়া উচিত।”

বক্তব্য রাখেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম

তিনি বলেন, “সফলতার জন্য সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য।”

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগে নতুন যোগদান করা ফারজানা ইয়াসমিন ও নাজমুন্নাহার উর্মিকে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়া জেএমসি ল্যাব কো-অর্ডিনেটর কাজী মাহাদী মুনতাসির একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন।

নবীনবরণ অনুষ্ঠান সমন্বয় করেন গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ বায়েজীদ খান ও জান্নাতুল ফেরদৌস মীম।

নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের ২৫২-ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন সাদিয়া আফরিন নিঝুম ও মোমেনুল ইসলাম। পরে কেক কাটা ও গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।