ক্যাম্পাস

সামনে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রশাসন চালানো যাবে না: ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে অব্যাহতিপত্র জমা দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক প্রক্রিয়াকরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং নতুন কাউকে দায়িত্ব না দেওয়া পর্যন্ত উপাচার্যের পদে থাকবেন বলে জানিয়েছেন নিয়াজ আহমদ খান।

পদত্যাগের বিষয়ে রবিবার দুপুরে রাইজিংবিডি ডটকমের সাথে খোলামেলা কথা বলন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

রাইজিংবিডি ডটকমকে ঢাবি উপাচার্য বলেন, “আমি এসেছিলাম ক্রান্তিকালে। আমি কাজগুলোকে এনজয় করি না। আমি এসেছিলাম ছাত্রদের অনুরোধে।”

তিনি বলেন, “সামনে শুধু রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রশাসন চালানো যাবে না। সেই দিন শেষ। এখন এখানে সচেতনতার মাত্রা অনেক বেশি।”

নিয়াজ আহমদ খান বলেন, “এখন এটা সম্ভব না যে আমি আগামীকাল হল দখল করে গণরুম চালু করলাম। এটা করতে গেলে রক্তারক্তি হবে। কোন সরকারই এই রিস্ক নিবে না। রাজনৈতিক ওরিয়েন্টেশনে একটা নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি বিশ্ববিদ্যালয় চালানো সম্ভব না।”

“এখন রাজনৈতিক সরকার, তারা তাদের মতো করে গুছিয়ে নিক। আমি যেহেতু রাজনীতির বাইরের মানুষ, আমি এর চেয়ে পড়াশোনার জগতে ফিরে যাব”, বলেন উপাচার্য।

পদত্যাগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি নিজেই সরে যাচ্ছি। আমি মনে করছি, এটা চাকরি না। আমি এসেছি একটা স্যালভেজ অপারেশনে, একটা ডুবন্ত জাহাজকে কোনোমতে ঠেকিয়ে একটা পর্যায়ে এনেছি। আমার মূল কাজ শিক্ষকতা; আমি সেখানে ফেরত যেতে চাই।”

তিনি আরো বলেন, “একটা বড় মাপের প্রকল্প আছে। ওই প্রকল্প যদি বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে ঢাকা ইউনিভার্সিটির পার্মানেন্ট একটা ক্ষতি হয়ে যাবে।”

ড. নিয়াজ বলেন, “এখন শুধু অন্ধ রাজনৈতিকভাবে প্রশাসন চালানো যাবে না; আসলেই যাবে না। এখন র‌্যাংকিংয়ে উন্নতির দিকে যাচ্ছি। এই সময় পড়াশোনা জানার লোকজনকে যদি এখন আমরা প্রমোট করতে না পারি, রাজনৈতিক ক্ষেত্র থেকে বের করে আনতে না পারি! এখন উদাহরণ তো রয়েছে।”