ক্যাম্পাস

জবির বেদখল হল পুনরুদ্ধারে এমপি হামিদের প্রতিশ্রুতি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দু’আ মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখলকৃত হলসমূহ পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে অবস্থিত Star Hotel & Restaurant-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশ্বাস দেন।

হামিদুর রহমান পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখলকৃত হল পুনরুদ্ধারে যে আইনি জটিলতা রয়েছে, তা দূর করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং আবাসন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সমন্বয় করে টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, “প্রধান অতিথি এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী, এটি জবি পরিবারের জন্য গর্বের। একই সঙ্গে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেই প্রত্যাশা রাখি।”

উপাচার্য আরো বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইনের কিছু অসংগতি সংশোধন এখন সময়ের দাবি। জাতীয় সংসদের মাধ্যমে আইন সংশোধন সম্ভব এবং এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সক্রিয় ভূমিকা প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।” শিক্ষক সমিতি প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণে কাজ করে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের ঐক্যই সবচেয়ে বড় শক্তি। বর্তমান সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে আইনি জটিলতা নিরসন করে বেদখল হল পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে এবং সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয় আরো উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা পাবে।”

শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের স্বাগত বক্তব্য এবং অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদের সঞ্চালনায় ইফতারের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনায় বিশেষ দু’আ ও মোনাজাত পরিচালিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, জকসু প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।