ক্যাম্পাস

বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জবি উপাচার্যের

বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ্ উদ্দীন। এ ক্ষেত্রে ছাত্রদলসহ সকল সংগঠনকে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে হবে, এ কথাও বলেছেন তিনি।

সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সভাকক্ষে প্রশাসনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপাচার্য বলেন, “আমরা সত্যিকারভাবে সবার অভিভাবক হওয়ার চেষ্টা করব। এখানে সবাই আমার সন্তান, কেউই আমার বৈমাত্রেয় সন্তান নয়।”

তিনি আরো বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সুতরাং এখানে রাজনীতি থাকবে, কিন্তু কারো ওপর আমরা হস্তক্ষেপ করব না। অভিভাবক হিসেবে সবার আশ্রয়স্থল হওয়ার চেষ্টা করব। এতে সবাই এখানে আস্থা পাবে এবং আমরা একটি কাজের পরিবেশ তৈরি করতে পারব।”

আমাদের কেউ নষ্ট করবেন না উল্লেখ করে উপাচার্য আরো বলেন, “আমার একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ আছে। সাবেক ভিসি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সামনে আমি সেটি বলেছি। তিনি আমার সঙ্গে ছবি তুলতে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, ছবি তুললে আমার জন্য কাল হবে।”

জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরানুল হক বলেন, “আগে ভাইস চ্যান্সেলর পদ ঘোষণার সময় আমি রইছ স্যারের পাশে ছিলাম। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘এই জগন্নাথ আমার, এই জগন্নাথের মাটি আমার।’”

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন বলেন, “দিন-রাত পরিশ্রম করে আমরা স্যারকে আমাদের মধ্যে ভিসি হিসেবে পেয়েছি। ২০০৮ সালে ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’র মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি, আমরাও তা হতে দেব না।”

সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মী, সাংবাদিকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।