ক্যাম্পাস

ডিআইইউতে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সম্মেলন ২০২৬

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজিস (ইসিসিটি ২০২৬)।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) শুরু হয়ে তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। ডিআইইউ’র সিএসই ও ইইই বিভাগ, সেন্টার ফর ইন্টেলিজেন্ট কম্পিউটিং এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে দেশ-বিদেশের গবেষক, একাডেমিশিয়ান ও প্রযুক্তিবিদরা অংশ নেবেন।

বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণকারী এতে যুক্ত হবেন। বিভিন্ন দেশ থেকে ৭১৩টি গবেষণাপত্র জমা পড়েছে, যার মধ্যে ২৫২টি (প্রায় ৩৫ শতাংশ) গ্রহণ করা হয়েছে। গৃহীত গবেষণাপত্রগুলো অ্যাটলান্টিস প্রেস (স্প্রিংগার) ও টেইলর অ্যান্ড ফ্রান্সিস গ্রুপের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে এবং স্কোপাস ইনডেক্সড জার্নালে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাবে।

তিন দিনের এই কনফারেন্সে ৩৩টি টেকনিক্যাল সেশন, ৭টি কীনোট স্পিচ এবং ২টি ইনভাইটেড টক অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি থাকবে একাধিক ইন্ডাস্ট্রি টক, স্টিয়ারিং কমিটি মিটিং এবং সমাপনীতে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

টেকনিক্যাল সেশনগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, বাংলা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, স্মার্ট আইওটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং অটোনোমাস ট্রান্সপোর্টেশনসহ সমসাময়িক বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা উপস্থাপন করা হবে।

কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. এম. সোহেল রহমান।

এছাড়া, অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডিআইইউ’র ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ.টি.এম. মাহবুবুর রহমান সরকার, টিপিসি চেয়ার অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন অ্যাডভোকেট শাহেদ কামাল পাটোয়ারী, অধ্যাপক ড. আহমেদ ওয়াসিফ রেজা ও অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাছেত।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববী হাজ্জাজ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

কনফারেন্সের অর্গানাইজিং চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বাছেত বলেন, “‘ইসিসিটি ২০২৬’ একটি বৈশ্বিক গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নতুন উদ্ভাবন এবং গবেষণার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

আয়োজকরা আশা করছেন, এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বাংলাদেশ বৈশ্বিক গবেষণা অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।