ক্যাম্পাস

শিক্ষা-গবেষণায় ঢাবি-চীনের টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক

শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অফিসের পরিচালক অধ্যাপক চেন ইলি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক সায়মা হক বিদিশা, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সেলিম রেজা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দা রোযানা রশীদ, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ইয়াং হুই, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব কন্টিনিউয়িং এডুকেশনের ডিন অধ্যাপক জিন ফু’আনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিনিময়, যৌথ গবেষণা পরিচালনা, তথ্য আদান-প্রদান এবং সেমিনার, সম্মেলন, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকাশনা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমেও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও টংজি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান একাডেমিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।”

তিনি আরো বলেন, “এই সমঝোতা স্মারক দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতাকে আরো সুদৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, উদ্ভাবনী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন একাডেমিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।”

উপাচার্যের মতে, এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানই উপকৃত হবে।