কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিবহন পুলের কর্মচারী জহিরুল ইসলামের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম।
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন; বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল হায়াত এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জি. এম. মনিরুজ্জামান।
অভিযোগপত্রে জহিরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ২ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই কর্মচারী কামাল ও হাসানসহ ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তার ক্রয়কৃত জমিতে প্রবেশ করেন এবং জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালান।
তার দাবি, তিনি বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযুক্ত শিক্ষকদের সঙ্গে থাকা কর্মচারী কামাল ও হাসান বলেন, “তারা ড. আবুল হায়াত ও ড. জি. এম. মনিরুজ্জামানের জমিতে বেড়া দেওয়ার কাজে সেখানে গিয়েছিলেন।”
এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবুল হায়াত বলেন, “আমরা আমাদের ক্রয় করা জমিতেই অবস্থান করছি। অভিযোগকারী ব্যক্তি আমাদের জমি দখল করে রেখেছে। আমাদের জমির গাছও কেটে নিয়েছে জহিরুল। জমির বিষয়ে আমাদের কাছে উপযুক্ত কাগজপত্র রয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে কোনো বিরোধ থাকলে, বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছি।”
অভিযুক্ত বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার প্রয়োজন ছিল না। দুই পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করতে পারত।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল হাকিম বলেন, “অভিযোগটি আমার হাতে এসেছে। বিষয়টি মূলত জমিসংক্রান্ত এবং ব্যক্তিগত বিরোধের বিষয়। এ বিষয়ে আমি সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারব না। অভিযোগটি রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”