সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের বড় পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ দিন আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসই ও সিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। একইসঙ্গে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।
বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। রবিবার সকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তা পতনমুখী অবস্থায় ছিল।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৫৮.৯৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৩৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১.৯১ পয়েন্ট কমে ৯৯৮ পয়েন্টে এবং ডিএস ৩০ সূচক ১৮.৭৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৮৯৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৩৪টি কোম্পানির, কমেছে ৩১৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪১টির।
এদিন, ডিএসইতে মোট ৪১২ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪২৯ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৭৩.৫২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১১৬.৮৭ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৮৭৭ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৬.১৭ পয়েন্ট কমে ৮৫৪ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ১০৯.৭২ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৩৭৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ১৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৪১টি কোম্পানির, কমেছে ৯২টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২১টির।
সিএসইতে ৪ কোটি ৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১২ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।