তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে সরবরাহকারী বা ক্রেতাদের ঋণ সুবিধা (সাপ্লায়ার্স/বায়ার্স ক্রেডিট) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শিল্পকারখানার কাঁচামালের মতো এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন আমদানিকারকরা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করে দেশে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ার জন্য আমদানিকারকদের বাড়তি সময় প্রয়োজন হয়। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এলপিজিকে ‘শিল্পের কাঁচামাল’ হিসেবে গণ্য করার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। ফলে, আগের নির্দেশনার আলোকে এলপিজি আমদানিতে ২৭০ দিন পর্যন্ত ইউস্যান্স মেয়াদে ঋণ নেওয়া যাবে।
সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, সরবরাহকারী ঋণের পাশাপাশি অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স ক্রেডিটের ব্যবস্থা করতে পারবে। একইসঙ্গে দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) থেকে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও নেওয়া যাবে। তবে, এসব ক্ষেত্রে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা নীতিমালা ও ঋণ-সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নিয়ম মানতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সংশ্লিষ্ট সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংককে তাদের গ্রাহকদের এ নির্দেশনার বিষয়টি জানাতে বলেছে। এলপিজি আমদানিতে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং আমদানিকারকদের আর্থিক চাপ কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।