অর্থনীতি

সূচকের পতনে সপ্তাহ শেষ, কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ দিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। একইসঙ্গে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। বৃহস্পতিবার সকালে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসই ও সিএসইতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। তবে বেলা ১২টা ২৩ মিনিটের পর থেকে সূচক পতনমুখী হতে শুরু করে। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩২.৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৩৪ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াসূচক ১.৭৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭২ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৯.৮৫ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১২৩টি কোম্পানির, কমেছে ২২২টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৭টির।

এ দিন ডিএসইতে মোট ৫৮৭ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ২২.৭৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ১২২ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯.৫০ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৩১ পয়েন্টে, শরিয়াসূচক ৩.৭৪ পয়েন্ট কমে ৯০৬ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৫৯.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৩৩৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ১৮৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৬২টি কোম্পানির, কমেছে ৯৫টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩০টির।

এ দিন সিএসইতে ৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।