সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১১ মার্চ) দেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিনে উভয় পুঁজিবাজারে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমেছে। তবে পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে। বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। বুধবার সকাল থেকেই সূচকে উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। তবে কিছুক্ষণ পর তা পতনে রূপ নেয়। এভাবে উত্থান পতনে লেনদেন চলতে থাকে। তবে উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২.৫০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৯২.১৯ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াসূচক ৩.৯০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬২.২৮ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ০.৮১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৩৮.০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ২৩৬টি কোম্পানির, কমেছে ৯৮টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫৭টির। এ দিন ডিএসইতে মোট ৫২৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়ে ছিল ৫৯৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। এদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১.৪৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৯ হাজার ৯৫.৩১ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৮.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৮৬৯.৬০ পয়েন্টে, শরিয়া সূচক ৩.৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ৮৯২.১৮ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ৪৬.৮০ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ২৪৫.২৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসইতে মোট ১৫০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৮১টি কোম্পানির, কমেছে ৪৩টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৬টির। এ দিন সিএসইতে ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।