প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বৈধ পথে দেশে পাঠাতে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্যা খাতুন।
দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিট্যান্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করেই তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীর নিজ বাড়িতে বন্যা খাতুনের হাতে পুরস্কার হিসেবে একটি স্বর্ণের হার তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এ সময় নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার পাওয়ার আনন্দে পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে দুবাইপ্রবাসী ফরিদের সঙ্গে যুক্ত হন। এ সময় তিনি অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও কথা বলেন।
ফরিদ বলেন, “নগদে এমন একটি ক্যাম্পেইন চলছে তা জানতাম। কিন্তু এই স্বর্ণের হারটি যে আমার ঘরেই আসবে, তা কখনো ভাবিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাই, তবে এত বড় উপহার পাব, এটা ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত।”
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশে তাদের স্বজনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসী পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিট্যান্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এ বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময় তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের পরিমাণ আরো বাড়ে। আমরা এই আনন্দের মুহূর্তকে আরো বিশেষ করে তুলতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করেছি। এই প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তবে সেটি ওই প্রবাসী ও তার পরিবারের জন্য স্মরণীয় একটি ঘটনা হয়ে থাকবে।”-বিজ্ঞপ্তি