অর্থনীতি

পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধের আশঙ্কা

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল রাইজিংবিডি ডটকমকে এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, “যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে এবং জ্বালানি সরবরাহ করতে না পারলে সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই নিরাপত্তাহীনতা ও সরবরাহ সংকট দূর না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকবে না। আমরা কোনো পাম্পকে বন্ধ করে দেওয়া কথা বলিনি। পাম্পগুলোর ন্যাচারাল ডেটথ হবে। পেট্রোল পাম্পগুলো যদি জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা না পায় তাহলে তারা কেন ঝুঁকি নেবে।”

তিনি আরো বলেন, “আজকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় শিরোনাম দেখেছি- সারা দেশের পেট্রোল পাম্প যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা কিন্তু সেভাবে বলিনি। আমরা বলেছি- যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে এবং জ্বালানি সরবরাহ না করা হলে সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

এর আগে রবিবার (২২ মার্চ) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, “বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইরানের যুদ্ধের করণে জ্বালানি তেল ডিপোসমূহ থেকে আমাদের অস্বাভাবিক চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না বা আপাতত তা সরবরাহ করতেও পারবে না। অন্যদিকে, মোটরসাইকেল ও সাধারণ ভোক্তাদের ফিলিং স্টেশনে ভিড় ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এছাড়া, বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ ভোক্তারা ফিলিং স্টেশনের স্টাফদের মারধরসহ ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে। ”

“এমতাবস্থায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে ফিলিং স্টেশন চালু রাখতে হবে। অন্যথায় কারো আদেশের অপেক্ষায় না থেকে ফিলিং স্টেশন পরিচালনার ক্ষেত্রে নিজের নিরাপত্তা নিজেকেই নিয়ে চলতে হবে। ফলে পাম্পের সকল কর্মচারীদের নিরাপত্তা দিয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যাতে কোনোভাবে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।”