অর্থনীতি

পুঁজিবাজারে সূচকের পতন, বেড়েছে লেনদেন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৩০ মার্চ) সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসই ও সিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে, উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম কমেছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। সোমবার সকাল থেকেই সূচকে উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। তবে লেনদেনে শেষ হওয়া পর্যন্ত সূচকের পতনমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৪১.৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৩০.৭৭ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫.০৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬১.০৭ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৯.০৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৭৯.৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ১১১টি কোম্পানির, কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৫১টির।

এদিন ডিএসইতে মোট ৬৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৬৪৬ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৯.০৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯ হাজার ১৯.৮০ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০.৫২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭৮১.৫০ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ৫.১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৯০০.৫৫ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ২৬.১৮ পয়েন্ট কমে ১২ হাজার ৯১১.৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সিএসইতে মোট ২০৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৭৯টি কোম্পানির, কমেছে ৯৯টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৮টির।

দিন শেষে সিএসইতে ৫৯ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩২ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।