সরকার ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, “অর্থনীতিকে টেকসই করতে নতুন টাকা ছাপানোর পথে না গিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।”
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন কোনো নীতি নিতে চায় না, যা অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে। তাই নতুন করে টাকা ছাপানোর পরিবর্তে উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশের অর্থনীতি এখনো অনেকাংশে ঋণনির্ভর। এই অবস্থা থেকে বের হয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এজন্য দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
কর-জিডিপি অনুপাত কম থাকার বিষয়েও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, জিডিপির আকার ও কর-জিডিপি অনুপাত একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। অর্থনীতি গতিশীল না হলে কর আদায়ও বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলে প্রথমে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার ওপর জোর দিতে হবে।
আসন্ন বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এমনভাবে বাজেট প্রণয়ন করা হবে যাতে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন।” নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এখানে বড় চ্যালেঞ্জ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, নীতির ঘনঘন পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দেয়। তাই স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি নীতি নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।