সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এ দিন ডিএসইতে আগের কার্যদিবসের চেয়ে টাকার পরিমাণে লেনদেন বাড়লেও সিএসইতে কমেছে। তবে উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে। এ সংঘাত দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফলে পুঁজিবাজারে সূচক পতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। তবে আমেরিকার পক্ষ থেকে যুদ্ধ বিরতির খবরে পুঁজিবাজারে সামান্য উত্থান হয়েছে।
বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে সোমবার সকাল থেকে সূচকে উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।
ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৪.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৫৬.৮৭ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫.৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৪৫.৮১ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১৬.৯২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৭১.৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ২৭৫টি কোম্পানির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৪৮টির।
এ দিন ডিএসইতে মোট ৫৯৭ কোটি ১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৭০ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক আগের দিনের চেয়ে ৫.৫১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ৮৬৬.৬৪ পয়েন্টে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৮.৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪৮৯.৭৬ পয়েন্টে, শরিয়াহ সূচক ১.৭০ পয়েন্ট কমে ৮৮৩.১৭ পয়েন্টে এবং সিএসই ৩০ সূচক ২৩.৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ১২ হাজার ৬৯৬.৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সিএসইতে মোট ১৮৩টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে ৮৮টি কোম্পানির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৫টির।
দিন শেষে সিএসইতে ২৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট।