অর্থনীতি

এসডিজি লক্ষ্যে ইউআইইউতে বৈশ্বিক সম্মেলন

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের চ্যালেঞ্জ, বৈশ্বিক জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ এবং বদ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করতে রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী ৮ম আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন আইসিএসডি-২০২৬।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। ইউআইইউ’র ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি (আইডিএসএস) প্রতিবছরের মতো এবারো এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের পানি বিষয়ক প্রতিনিধি মিসেস নিল্টজে কিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়াটারএইড দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. খায়রুল ইসলাম এবং আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (আইডব্লিউএমআই) বাংলাদেশের কান্ট্রি ফোকাল পয়েন্ট শ্রেয়া চক্রবর্তী।

উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বুয়েটের বন্যা ও পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মাশফিকুস সালেহীন। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলনের আহ্বায়ক ও ইউআইইউ’র স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের ডিন অধ্যাপক হামিদুল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউআইইউ উপাচার্য অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম মিয়া।

সম্মেলনের লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারণ ও গবেষণা কার্যক্রমকে সমর্থন দিতে একটি গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।

এবার সম্মেলনে আটটি ভিন্ন থিমের অধীনে জমা পড়া প্রায় ৫৫০টি গবেষণাপত্রের মধ্যে ৩৬৫টি উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, ভারত, নেপাল, ফিলিপাইনসহ বিভিন্ন দেশের গবেষকরা এতে অংশ নিচ্ছেন। বক্তারা এসডিজি অর্জনে করণীয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের সম্মেলন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি এসডিজি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের টেকসই উন্নয়ন গবেষক, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষণা সংস্থা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক এনজিও, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।-বিজ্ঞপ্তি