অর্থনীতি

তামাকজাত পণ্য আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ শুল্কারোপ

তামাকজাত পণ্য আমদানিতে ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কারোপের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষার লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি ও রাজস্ব সম্ভাবনা বিবেচনায় সিগারেটের চার স্তরে ন্যূনতম খুচরা মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নিম্নস্তরে প্রতি ১০ শলাকার দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা, মধ্য স্তরে ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরে ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরে ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

এছাড়া নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকো পণ্যের ওপর এবারই প্রথম কর আরোপের প্রস্তাব এসেছে। নিকোটিন পাউচে প্রতি ১০ গ্রামে ৫০০ টাকার বিপরীতে ৪০ শতাংশ এবং হিটেড টোব্যাকোতে প্রতি ১০ শলাকায় ২১০ টাকার বিপরীতে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

অবৈধ তামাক বাণিজ্য রোধে ‘ট্র্যাক অ্যান্ড ট্রেস’ পদ্ধতি চালুর কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যবেক্ষণ আরও কঠোর করা যায়।

এদিকে, চিকিৎসা ব্যয় কমানো ও দেশীয় ওষুধ শিল্পকে শক্তিশালী করতে কয়েকটি খাতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে কিডনি রোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর এসেছে বাজেটে। ডায়ালাইসিস প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত ফিল্টার আমদানিতে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে প্রতিটি ডায়ালাইসিসে খরচ প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।