শিশুখাদ্য প্রস্তুত করার জন্য আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর শুল্ক হার কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই খাতে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, “আমদানিকৃত শিশুখাদ্য প্রস্তুতিমূলক সামগ্রীর (Preparation for Infant or young children) ওপর শিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করছি। এর ফলে দেশের বাজারে শিশুখাদ্যের দাম কমবে এবং তা সাধারণ মানুষের জন্য আরো সহজলভ্য হবে।”
বাংলাদেশ এখন প্রতি বছর শিশুখাদ্য প্রস্তুতের জন্য কাঁচামালের মধ্যে দুগ্ধজাত উপাদান (স্কিমড মিল্ক পাউডার (ঝগচ), হোল মিল্ক পাউডার, ডিমিনারেলাইজড হুই পাউডার, হুই প্রোটিন কনসেনট্রেট, কেসিন, কেসিনেট), কার্বোহাইড্রেট (ল্যাকটোজ, মাল্টোডেক্সট্রিন, কর্ন সিরাপ সলিডস, গ্লুকোজ সিরাপ), উদ্ভিজ্জ তেল (পাম ওলেইন, সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, নারিকেল তেল, হাই-ওলিক তেল), প্রোটিন উৎস (হুই প্রোটিন, মিল্ক প্রোটিন কনসেনট্রেট, সয়া প্রোটিন আইসোলেট), ভিটামিন প্রিমিক্স (ভিটামিন এ, ডি,ই, কে, সি, , বি১, বি২, বি৬, বি১২, ফলিক অ্যাসিড, বায়োটিন, নিয়াসিন ইত্যাদি), মিনারেল প্রিমিক্স (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, কপার, আয়োডিন), বিশেষ পুষ্টি উপাদান (ডিএইচএ, এআরএ, টরিন, কোলিন, ইনোসিটল, এল-কার্নিটিন), প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক ( জিওএস, এফওএস, ল্যাকটোবাসিলাস,কালচার), সিরিয়াল উপাদান চালের (গুঁড়া, গমের আটা, ওটস, কর্ন ফ্লাওয়ার (কিছু দেশীয়, কিছু আমদানিকৃত), ইমালসিফায়ার ও স্ট্যাবিলাইজার (সয়া লেসিথিন, মনোগ্লিসারাইড, ডাইগ্লিসারাইড), ফল ও সবজি পাউডার (আপেল পাউডার, কলা পাউডার, গাজর পাউডার, বিভিন্ন ফলের কনসেনট্রেট) ও ফ্লেভার ও অ্যাডিটিভ (ভ্যানিলা ফ্লেভার, অনুমোদিত ফুড-গ্রেড ফ্লেভারিং) আমদানি করে থাকে।
এসব পণ্যে আগে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ছিল। এখন তা কমে ১০ শতাংশ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।