সাড়ে চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরোধ করে রাখার পর রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় ছেড়ে গেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে তারা সড়ক ছেড়ে যান।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড়ে সড়ক অবরোধ ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়েন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সায়েন্স ল্যাব মোড়ে এই ঘোষণা দেন সরকারি সাত কলেজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর আন্দোলনের প্রতিনিধি ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. নাঈম হাওলাদার।
তিনি বলেন, “আজ সায়েন্স ল্যাব, তাঁতীবাজার, টেকনিক্যাল ও মহাখালীর আমতলী মোড়-এই চারটি স্থানে আমরা ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা যেহেতু কোনো সরকারের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা পাচ্ছি না। অতএব আমাদের এই কর্মসূচি নির্দিষ্ট নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত চলমান রাখব। আমাদের এই ব্লকেড কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য।”
নাঈম হাওলাদার বলেন, “আগামীকাল আবার আমরা তিনটি স্থানে (সায়েন্স ল্যাব, তাঁতীবাজার, টেকনিক্যাল মোড়ে) ব্লকেড কর্মসূচি চলমান রাখব। আমরা আশাবাদী যে, সরকার আমাদের বিষয়ে অর্থাৎ সাত কলেজের সমন্বয়ে যে প্রস্তাপনা করা হয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেটি চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করে আমাদের সমস্যার সমাধান করে দিবেন।”
এর আগে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সায়েন্স ল্যাব মোড়সহ একাধিক স্থানে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের ডাকে এই কর্মসূচি হয়।