বিনোদন

বছরটিতে অনেক কষ্টও ছিল: পিয়া

জীবন আনন্দে ভরা কোনো গিফট বক্স নয়। বরং অনন্দ-বেদনার মোড়ক। মুদ্রার এপিট ওপিট নিয়েই কেটে গেছে দুই হাজার পঁচিশ। নতুন উদ্যমে কাটানোর অভিলাষ নিয়ে নতুন বছরে যাত্রা শুরু করেছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও নতুন বছর নিয়ে নানা ভাবনার কথা প্রকাশ করছেন। 

মডেল-অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল আনন্দ ও বেদনা নিয়েই বিদায়ী বছর কাটিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এ অভিনেত্রী বলেন, “নতুন বছরের শুভেচ্ছা। বিদায় নেওয়া বছরের জন্য কৃতজ্ঞ। বছরটিতে অনেক কষ্ট ছিল। কারণ এ বছরই বাবাকে হারিয়েছি।” 

তারপরও কৃতজ্ঞ পিয়া জান্নাতুল বলেন, “তবু আলহামদুলিল্লাহ, আমরা কৃতজ্ঞ ছিলাম। কারণ আমরা আমাদের পুত্রকে, নিজেদেরকে, আশপাশের কয়েকজন মানুষকে, এমনকি প্রাণীদেরও সহায়তা করতে পেরেছি। সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু আমি চাইতে পারি না। দয়া করে আমাদেরকে আপনার দোয়ায় রাখবেন।”

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ফারুক হাসান সামীরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান পিয়া। ৬ বছর প্রেম করে ২০১৪ সালের ১৫ জুন ফারুকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এই দম্পতির একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।

পিয়া ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতেন ব্যারিস্টার হওয়ার। তাই পড়াশোনা করেন লন্ডন কলেজ অব লিগ্যাল স্টাডিজে। ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এই অভিনেত্রী।   

২০০৭ সালে ‘মিস বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন পিয়া। এরপর কর্মজীবন শুরু করেন র‌্যাম্প মডেলিংয়ের মাধ্যমে। তিনি ফ্যাশন মডেলিংয়ের পাশাপাশি একাধিক ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। 

২০১২ সালে ‘চোরাবালি’ চলচ্চিত্রে ‘সুজানা’ চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে পিয়ার আবির্ভাব ঘটে। এরপর ‘গ্যাংস্টার রিটার্নস’, ‘স্টোরি অব সামারা’, ‘প্রবাসী প্রেম’, ‘রোমান্স ইন আমেরিকা’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।  

চলচ্চিত্রে অভিনয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করায় তার তারকাখ্যাতি আরো বাড়িয়ে দেয়। ২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড মিস ইউনিভার্সিটি’ শিরোপা অর্জন করেন। এছাড়া মিশরে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড টপ মডেল’ প্রতিযোগিতায় শীর্ষ মডেল হওয়ার সাফল্য অর্জন করেন পিয়া।