বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা। শুধু আইটেম গানে কাজ করেই নিজেকে অন্য জায়গায় নিয়ে গেছেন। বলিউডে আইটেম গানের আদর্শও বলা হয় তাকে। তাইতো আইটেম গানের কথা আসলেই চোখে পড়ে ‘মুন্নি বদনাম হুয়ি’ কিংবা ‘ছাইয়া ছাইয়া গান’ দুইটি।
বায়ান্ন বছরের মালাইকার শরীরি সৌন্দর্যে এখনো বুঁদ নেটিজেনরা। গত বছরও ‘থামা’ সিনেমার ‘পয়জন বেবি’ শিরোনামের আইটেম গানে পারফর্ম করে মুগ্ধ করেন ভক্তদের। তবে এ বয়সে আইটেম গানে পারফর্ম করার কারণে কটু কথাও শুনতে হয় মালাইকাকে। এসব বিষয় নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন এই অভিনেত্রী।
কয়েক দিন আগে ‘দ্য নম্রতা জাকারিয়া’ শোয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মালাইকা। এ আলাপচারিতায় এই অভিনেত্রী বলেন, “কেন নয়? আমাকে এ নিয়ে কেন সংযত হতে হবে বা ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হবে? এসব বিষয় নিয়ে মানুষ ট্রল করে, অনেকেই নানা কথা বলে। কিন্তু আমি বুঝতে পারি না এটা এমন কি বড় বিষয়! নাচ হলো নিজেকে প্রকাশ করার একটি মাধ্যম, যা তার প্রকৃত সৌন্দর্য ও রূপে উপভোগ করা উচিত। আমি ৫২ বছর বয়সে এটা করতে পারি, এজন্য আমি ধন্য। আমি নিশ্চয়ই সঠিক কিছু করছি।”
মালাইকার কাজ যদি নারীদের শক্তি জোগায়, তবে এ অভিনেত্রী সার্থক বলে মন্তব্য করেছেন। এ অভিনেত্রীর ভাষায়—“এটা ভীষণ, ভীষণ ক্ষমতায়নকারী। এটা আমাকে দারুণ এক অনুভূতি দেয়। আমি আগেও বলেছি, যদি নারীরা এটাকে উদাহরণ হিসেবে নেয় বা এটাকে এমন কিছু হিসেবে দেখে, যা তাদের শক্তি জোগায় বা ভালো অনুভব করায়, তাহলে আমার কাজ সার্থক।”
মালাইকা অনেক সংগ্রাম করে নিজের বর্তমান অবস্থা গড়েছেন। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মায়ের কাছে বেড়ে উঠেছেন। মাত্র ১৭ বছর বয়স থেকে উপার্জন শুরু করেন। অর্থাৎ তার পারিবারিক জীবনও সংগ্রামে ভরা।
১৯৯৮ সালে ভালোবেসে আরবাজ খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মালাইকা আরোরা। ২০১৬ সালে দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানতে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন এই দম্পতি। ২০১৭ সালের মে মাসে তাদের বিচ্ছেদ মঞ্জুর করেন মুম্বাইয়ের বান্দ্রার পারিবারিক আদালত। মালাইকা-আরবাজের আরহান খান নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। এরপর আর বিয়ে করেননি মালাইকা।