ভারতীয় বাংলা সিনেমার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী ও তৃণমূলের প্রাক্তন সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী। এখন রাজনীতির মাঠে তার উপস্থিতি যেমন কম, তেমনই রুপালি পর্দায়ও। গত বছর একটি সিনেমা ও একটি ওয়েব সিরিজে দেখা যায় তাকে। যদিও চলতি বছরে তার বেশ কটি কাজ আসার কথা রয়েছে।
অধিকাংশ ক্ষেত্রে, পর্দায় কাজ কম থাকলে তারকারা প্রচারের আলোয়ও কম থাকেন। মিমির বেলায়ও অনেকটা তেমনই। সমকালীন কাজ ও এসব বিষয় নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন মিমি চক্রবর্তী।
এ আলাপচারিতায় জানতে চাওয়া হয়, বাংলা সিনেমার কনটেন্ট নির্দিষ্ট একটি ফরম্যাট অনুসরণ করছে বলে কী মনে করেন? জবাবে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “আমি তো প্রযোজক বা পরিচালক নই। তবে এটুকু বুঝতে পারি, এখন সবাই রিক্স নিতে ভয় পান। এটা হতে থাকলে কনটেন্টের ভ্যারিয়েশন আসবে না। একটা গণ্ডির মধ্যেই আমাদের ঘোরাফেরা করতে হবে। যদিও আমি কখনো একঘেঁয়ে চরিত্র করিনি। ওটা আমি করতে পারব না।”
মিমি চক্রবর্তী
এ কারণে কী কাজের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “শুধু সেটা কারণ নয়। আসলে আমি কম টাকায় অভিনয় করতে নারাজ। আমি তো আমার অভিনয়ের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করি না, তাই পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রেও দরদাম করা আমার অপছন্দের। এ কারণেও অনেক কাজ হাতছাড়া হয়েছে, অনেকে আমায় ডাকেন না।”
আপনার সহকর্মীদের মধ্যে অনেকেই নারীকেন্দ্রিক সিনেমা করছেন, আপনি তেমন সিনেমা বাছাই করছেন না, না কি প্রস্তাব পাচ্ছেন না? উত্তরে মিমি চক্রবর্তী বলেন, “কিছু সিনেমা, সিরিজ আমিও করেছি। তবে সেগুলো নিয়ে হয়তো আলোচনা কম হয়েছে। আমি এটা ধরেই নিয়েছি, ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো প্রেমিক, বাবা, দাদা বা বড় কেউ নেই, তাদের প্রযোজনা সংস্থাও নেই, তাই আমার জন্য আলাদা করে কেউ গল্প লিখবেন না। যে কাজের প্রস্তাব পাই নিজের পছন্দ মতো বেছে করি।”
মিমি চক্রবর্তী
২০২৪ সালে দুটো সিনেমায় দেখা যায় মিমিকে। একই বছর বাংলাদেশের ‘তুফান’ সিনেমার আইটেম গানে পারফর্ম তাক লাগিয়ে দেন। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘রক্তবীজ টু’। বর্তমানে মিমির হাতে দুটো সিনেমার কাজ রয়েছে। এর মধ্যে ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন; আর ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিমি। এটি পরিচালনা করছেন সৃজিত মুখার্জি।