বিনোদন

আমি ভীষণ মিথ্যেবাদী ছিলাম: জয়া আহসান

দুই বাংলা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী জয়া আহসান। আজ ঢাকা তো কাল কলকাতা—এভাবেই চলছে তার দিনকাল। নতুন কাজের জন্য এখন কলকাতায় অবস্থান করছেন জয়া। বেশ সময় ঢাকায় অবস্থান করে এবার কলকাতায় গিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাজ নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেছেন জয়া। এ আলাপচারিতায় জানতে চাওয়া হয়, জয়া আহসানের ভালো থাকার চাবিকাঠি কী?  

এ প্রশ্নের জবাবে জয়া আহসান বলেন, “আমি তো বরাবরই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা মানুষ। আমার নিজের একটা জগৎ আছে, আমার পোষ্যদের নিয়ে দিনের অনেকটা সময় কাটে। ওগুলোই আমাকে ভালো রাখে। পাশাপাশি বোধহয় আমি ব্যক্তিগত বিষয়টা ব্যক্তিগত রাখতে চাই বলে জীবনে জটিলতা কম। আমাকে বাইরে থেকে মানুষ যেভাবে চেনেন, সেটা জয়া আহসানের ইমেজ, ভেতরের মানুষটা সম্পূর্ণ আলাদা।” 

জয়া আহসান

ছোটবেলার এমন কোনো স্মৃতি আছে, যা এখনো আপনার মনে ছাপ রেখেছে? জবাবে জয়া আহসান বলেন, “আমি ছোট থেকেই একটু অন্যরকম ছিলাম। একা থাকতে ভালো লাগত, আর কল্পনা প্রবণতা তো আমার শুরু থেকেই ছিল। এখন বললে অনেকে ভুল বুঝবেন, আমি ভীষণ মিথ্যেবাদী ছিলাম। নিজের মনে যা বিশ্বাস করতাম, তাই বলতাম। আর সবাই সেটা বিশ্বাসও করে নিত। এখনো অনেক সত্যি উদঘাটন হলে সবাই চমকে ওঠে। এই সমস্যার উৎপত্তির কারণ আমার জানা নেই। কিন্তু একটা সমস্যা যে ছিলই সেটা বুঝেছি। নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।” 

জয়া আহসানের পরবর্তী সিনেমা ‘ওসিডি’। সিনেমাটিতে জয়া আহসান অভিনয় করেছেন শ্বেতা নামে একজন চিকিৎসকের চরিত্রে। অতীতের ধূসর ছায়া যেন তার পুরো জীবন জুড়ে লেপ্টে আছে। মনের গভীরে জমে থাকা অন্ধকার তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। একসময় তার অতীত সম্পর্কে এক রোগী জেনে যাওয়ার পর শ্বেতার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ পরিণতি। আশপাশের মানুষজন এবং যারা তার বিরুদ্ধাচরণ করে, তাদের প্রতি ক্রমশ বিতৃষ্ণ হয়ে ওঠে সে। শেষ পর্যন্ত শ্বেতার পরিণতি কী, তার উত্তর মিলবে ‘ওসিডি’ সিনেমার গল্পে। 

জয়া আহসান

সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত এ সিনেমা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। জয়া আহসান ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন—কৌশিক সেন, ফজলুর রহমান বাবু, অনসূয়া মজুমদার, কনীনিকা ব্যানার্জি প্রমুখ।