বিনোদন

রবির পরকীয়ার অভিযোগ: সরব ডলি সায়ন্তনী, নেটিজেনদের তোপ

নব্বই দশকের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী। ব্যক্তিগত জীবনে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন তারা। যদিও বেশ আগে এ সংসার ভেঙে গেছে। কয়েক দিন আগে রবি চৌধুরী দাবি করেন—ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানোর কারণে ডলি সায়ন্তনীকে ডিভোর্স দেন এই গায়ক। 

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রবি চৌধুরীর এমন মন্তব্য অনেককেই হতবাক করেছে। পাশাপাশি চর্চায় রূপ নিয়েছে বিষয়টি। তবে গত কয়েক দিন ধরেই এ নিয়ে টুঁ-শব্দ করেননি ডলি সায়ন্তনী। অবশেষে নীরবতা ভেঙে এই শিল্পী বললেন, “সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”   

পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন ডলি। তার ভাষায়—“আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি নিয়ে কোনো বিতর্কে যেতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি আস্থা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে অযথা আলোচনার বিষয় বানাবেন না। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি, বাকিটা সময়ের হাতে।” 

রবি চৌধুরী নন, বরং ডলি সায়ন্তনীর পক্ষ থেকে ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছিল। এ তথ্য স্মরণ করে এই গায়িকা বলেন, “তবে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলতে চাই, যে ডিভোর্স প্রসঙ্গে নানা কথা বলা হচ্ছে, ডিভোর্স আমি দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম সেটি এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। ডিভোর্স দেওয়ার পর সেই সময়েই প্রকাশ্যে প্রেস কনফারেন্সে বিস্তারিত বলে দিয়েছিলাম। অতএব এতবছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।” 

ডলি সায়ন্তনীর এই ফেসবুক পোস্টে অসংখ্য নেটিজেন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। গায়িকার বিনয়ী প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি রবি চৌধুরীর বিরুদ্ধে তোপ দাগিয়েছেন। 

লিটন নামে একজন লেখেন, “রবি চৌধুরীর বয়স হইলো ঠিকই কিন্তু বুদ্ধি হাঁটুর নিচে! প্রাক্তনকে নিয়ে কেউ এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে, লোকটি আসলেই মেন্টাল।” মিন্টু নামে একজন লেখেন, “রবি চৌধুরী মানসিক রোগী। সংসার জীবনে একজন ফেইলর মানুষ! সম্পর্ক ধরে রাখার চ্যালেঞ্জে সে হেরে গেছে।” এমন রহমান লেখেন, “বাটপারের শরীরে এত বছর পর এখন অনেক চর্বি জমছে...।” এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কমেন্ট বক্সে।