শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি জগতে পা রেখে তামিল সিনেমার শীর্ষ নায়কদের একজনে পরিণত হয়েছেন থালাপাতি বিজয়। সর্বশেষ ‘থালাপাতি ৬৯’ সিনেমার জন্য ২৭৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগম’ (টিভিকে) নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেছেন এই নায়ক।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিনেমা ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন বিজয়। এ ঘোষণার ৮ মাস পর প্রথমবার নিজের দলের জনসভায় ভাষণ দেন। তারপর বেশ কটি জনসভায় অংশ নেন তিনি।
ফিল্মি কায়দায় নির্মিত রাজনৈতিক মঞ্চ, সেই মঞ্চে নায়কোচিত এন্ট্রি; বিজয়কে ঘিরে ভক্ত-অনুরাগীদের মাতামাতি চোখে পড়ার মতো। মানুষের উন্মাদনার ঢেউয়ে ভাসছেন বিজয়। তবে জনসভায় দুর্ঘটনার কারণে দারুণ বিতর্কের মুখেও পড়েন এই তারকা। এবার বিজয় বললেন—“রাজনীতির জন্য আমি সবকিছু ছেড়েছি।”
এখানেই শেষ নয়, বিজয়ের শেষ আশ্রয়স্থলও রাজনীতি বলে মন্তব্য তার। বিজয়ের ভাষায়—“আমার কাছে এখন রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।” বিজয় এসব মন্তব্য এমন এক সময়ে করলেন, যখন তার সংসার ভাঙার খবরে সরগরম ইন্ডাস্ট্রি, রাজনৈতিক অঙ্গন ও সোশ্যাল মিডিয়া।
ব্যক্তিগত জীবনে সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন বিজয়। কয়েক যুগ পর পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়ের স্ত্রী। বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে সংগীতা জানান, একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। ২০২১ সালে বিষয়টি তিনি জানতে পারেন, এখনো সেই সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন বিজয়। সেই অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার আশ্বাস দিয়েছিলেন বিজয়। তবে তা করেননি।
এ পরিস্থিতিতে রাজনীতিকে ‘শেষ আশ্রয়’ বলে মন্তব্য করার মধ্যে বিজয়ের অসহায়ত্বের পূর্ণ ইঙ্গিত পেয়েছেন নেটিজেনরা। কারণ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ঘিরে বিতর্ক এবং ব্যক্তিগত জীবনের সংকটকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তারা। আবার কেউ কেউ দাবি করেছেন, বিজয় রাজনীতিতে আসুক, তা চাননি তার স্ত্রী। ফলে রাজনীতির কারণে সংসার ভাঙছে বিজয়ের। এ কারণে দলের বৈঠকে এমন মন্তব্য করেছেন এই তারকা।
*ফিল্মিবিট অবলম্বনে