আম্বিয়া ৩ বছর পর বিদেশ থেকে দেশে ফিরেছে। স্ত্রী ফিরে আসায় তার স্বামী রাকিব খুব খুশি। আম্বিয়া-রাকিবের সংসারে আরো রয়েছেন—রাকিবের মা ও বোন। বউ ফিরে আসার খুশিতে রাকিব পুরো গ্রামে মিষ্টি বিতরণ করেন। ফুলের মালা দিয়ে বউকে বরণ করে নেন। স্বামীর এতটা ভালোবাসা পেয়ে আম্বিয়াও খুশি।
সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু গ্রামের মাতব্বর আম্বিয়ার কাছ থেকে সুযোগ নিতে আসে। আম্বিয়াকে প্রেম নিবেদন করে। আম্বিয়া মাতব্বরকে থাপ্পড় দিয়ে বিদায় করে। এরপর মাতব্বর গ্রামে ছড়িয়ে দেয়—আম্বিয়া বিদেশে মালিকদের সেবা করে করত। বিভিন্ন মালিকের অধীনে দাসী হিসেবে কাজ করত। আম্বিয়ার চরিত্র ঠিক নাই ইত্যাদি ইত্যাদি।
শুটিংয়ের ফাকে একফ্রেমে ‘প্রবাসী বউ’ নাটকের অভিনয়শিল্পীরা
গ্রামের মানুষও ভেবে দেখে, মাতাব্বরের কথায় যুক্তি আছে। আম্বিয়া তো অতটা লেখাপড়াও জানে না যে, বিদেশে গিয়ে বড় চাকরি করবে। মাতব্বরের কথা সঠিক ভেবে পুরো গ্রামে কানাঘুষা শুরু হয়। রাকিব, রাকিবের মা-বোন সবাইকে কথা শুনতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাকিবের মা-বোনও গ্রামবাসীর পক্ষে চলে যায়। একপর্যায়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন আম্বিয়া। এমন গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে একক নাটক ‘প্রবাসী বউ’।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্মিত নাটকটির কাহিনি ও সংলাপ লিখেছেন অনামিকা মন্ডল। চিত্রনাট্য ও নির্মাণ করেছেন কাজী সাইফ আহমেদ। নাটকের গল্পে আম্বিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন অহনা রহমান, রাকিব চরিত্রে দেখা যাবে রাশেদ সীমান্তকে।
‘প্রবাসী বউ’ নাটকের শুটিং সেটে নির্মাতার সঙ্গে অভিনয়শিল্পীরা
তাছাড়া নাটকটির বিভিন্ন চরিত্র রূপায়ন করেছেন ইরা তালুকদার, এস এম কামরুল বাহার, সাহেলা আক্তার, ফারহানা এশা, জাহাঙ্গীর আলম, মিজানুর রহমান, অয়ন খান প্রমুখ। আর টিভির ঈদ আয়োজনে নাটকটি প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা সাইফ।